স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।ক্যাপিটালমার্কেট২৪.কম

অক্টোবর ২৯, ২০১৮

টেকসই অর্থনীতি উন্নয়নে আতিউর গুরুত্বপূর্ণ

সাবেক অর্থমন্ত্রী এম. সাইদুজ্জামান বলেছেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থাকা কালে ড. আতিউর রহমান এমন কিছু ইতিবাচক এবং উদ্ভাবনিমূলক উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যার ফলে আমারা সফলভাবে বিশ^ অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা করতে পেরেছি। এছাড়াও তিনি পুরো আর্থিক সেবা খাতে সবুজায়ন করেছেন। যা সবুজ প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভূমিকা রাখছে। তাই দেশে টেকসই অর্থনীতি উন্নয়নে ড. আতিউর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ অবধান আমাদের অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।

বাংলদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারম্যান ড. আতিউর রহমানের লেখা ‘টুয়ার্ডস অ্যান ইনক্লুসিভ গ্রিন বাংলাদেশ: অকেশনাল স্পিচেস বাই গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি শাহবাগস্থ প্রকাশক পাঠক সমাবেশের অডিটরিয়ামে বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ।

আর্থিক অন্তর্ভূক্তি ও সবুজ অর্থায়নে ড. আতিউরের অগ্রণী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, কেবল বইয়ের নাম শুনেই যে কেউ বুঝতে পারবেন যে, এই বইটির রচয়িতা ড. আতিউর রহমান।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম, বিআইবিএম-এর অধ্যাপক ড. আহসান হাবিব এবং দৈনিক সমকালের উপ-সম্পাদক অজয় দাশ গুপ্ত বক্তব্য রাখেন।

ড. শিবলী বলেন, ড. আতিউর রহমানের লেখা বইটি বিশে^র সামনে বাংলদেশের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে।অধ্যাপক আহসান হাবিব বলেন, বাংলাদেশে যে সবুজ অর্থায়ন সেবাগুলো চালু হয়েছে সেগুলো একই সঙ্গে অন্তর্ভূক্তিমূলকও বটে। আর এটাই ড. আতিউর রহমানের বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে।

অজয় দাশগুপ্ত তার বক্তব্যে ড. আতিউর রহমানকে একজন ব্যক্তিক্রমি গভর্নর হিসেবে অভিহিত করেন এবং বলেন, গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. আতিউর সব সময়ই মাটির কাছাকাছি থাকতে চেষ্টা করেছেন। এছাড়া তিনি গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে ড. আতিউরের সাথে চরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।

ড. আতিউর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সরকার ও বাংলাদেশে ব্যাংকে তাঁর সহকর্মীদের তরফ থেকে ব্যাপক সহায়তা ও সমর্থন পেয়েছেন এবং একই রকম সমর্থন পেয়েছেন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকেও। আর এ কারণেই সফলতার সাথে বিশ^ মন্দা মোকাবিলা করতে পেরেছেন এবং টেকসই ও অন্তর্ভূক্তিমূলক অর্থায়ন উৎসাহিত করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, তাঁর লেখা এই বইয়ের মূলকথা হলো অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে মনোযোগ দেয়া এবং সামাজিক পিরামিডের পাটাতনে থাকা মানুষের মঙ্গলের কথা ভেবে কাজ করা।