স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ।।ক্যাপিটালমাকের্ট২৪.কম

মার্চ ৩০, ২০১৮

গাজীপুর ও খুলনা সিটির তফসিল শনিবার

নির্বাচন কমিশন শনিবার ৩১ মার্চ সকাল ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসির কমিশন বৈঠক শেষে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। জানাযায়, গাজীপুর ও খুলনা সিটির নির্বাচনের মে’র মাঝামঝি। ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, শনিবার ইসির কমিশন সভা শেষে গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। ১৭ মে পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ায় আগেই মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দুই সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, দ্বিতীয় ধাপে বাকি তিন সিটির নির্বাচন হবে জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে। সে জন্য জুনের তৃতীয় সপ্তাহে বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

ইসি সূত্র জানায়, সাধারণত নির্বাচনের ৪০ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হয়। সে অনুযায়ী, আগামী ১০ মে (বৃহস্পতিবার) এই দুই সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করতে যাচ্ছে ইসি। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে আগামী ৩০ মার্চ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে করতে হবে খুলনা সিটি নির্বাচন।

২০১৩ সালের ৬ জুলাই মাসে গাজীপুর এবং ১৫ জুন খুলনা সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে ২০১৩ সালের ১৫ জুন একইদিনে রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল এই তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু নির্বাচনের পর ওই তিন সিটির প্রথম সভা হয়েছিল যথাক্রমে ৬, ৯ ও ২৪ অক্টোবর। প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে যেকোনো দিন নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সে হিসাবে আগামী ৫, ৮ ও ২৩ অক্টোবরের মধ্যে এই তিন সিটির নির্বাচন করতে হবে। কিন্তু আগস্ট শোকের মাস হওয়ায় ওই মাসে কোনো নির্বাচন করতে চাচ্ছে না ইসি। ফলে জুলাই মাসেই রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি নির্বাচন হবে।

ইসি সূত্র জানায়, আগামী বছরের ৩০ অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে ২০১৮ সালের অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চায় ইসি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য ৫-৬ মাস আগে থেকে বড় কোনো নির্বাচনে হাত দিতে চায় না ইসি।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি সরকার গঠন করা হয়। একই বছরের ২৯ জানুয়ারি দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে। সে অনুযায়ী, বর্তমান সংসদের মেয়াদ পূর্ণ হবে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি। তাই ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগে ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সংসদ ভেঙ্গে যাওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।